গত মাসে বনগাঁয় একটি মাচা অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছিলেন টালিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। সেই ঘটনায় পুলিশি তদন্তের পর অভিযুক্ত আয়োজক তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এবার জেল থেকে ছাড়া পেয়ে মিমির বিরুদ্ধেই আইনি লড়াই শুরু করলেন শাস্ত্রী। যদিও টালি অভিনেত্রী অন্যায়ের সঙ্গে কোনো আপস করেন না বলে হুংকার ছেড়েছিলেন। সেই বনগাঁকাণ্ডে এবার নয়া মোড়।
জামিন-অযোগ্য ধারায় মামলা হওয়ায় তনয়কে এক সপ্তাহের বেশি সময় জেল হেফাজতে থাকতে হয়েছিল। মজার বিষয় হলো— মিমির জন্মদিনের দিনই জামিন পান তনয় শাস্ত্রী। জেল থেকে বেরিয়েই তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন— 'এর শেষ দেখে ছাড়ব।' সেই কথামতোই এবার ২০ লাখ টাকার মানহানি মামলা ঠুকলেন তিনি।
তনয় শাস্ত্রীর দাবি, মিমি চক্রবর্তী তাকে অকারণে অপমান করেছেন এবং জনসমক্ষে তার সম্মানহানি করেছেন। এই মর্মে তিনি অভিনেত্রীকে একটি আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। সেই সঙ্গে তাকে অকারণে হেনস্তা করা এবং জেলে পাঠানোর জন্য ২০ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। গত মাসের শেষে বনগাঁয়ের ওই অনুষ্ঠানের জন্য মিমিকে দেওয়া ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকাও ফেরত চেয়েছেন তিনি। কারণ মিমির আসার কথা ছিল ৯টায়, দুই ঘণ্টারও বেশি সময় পর পৌঁছান অভিনেত্রী।
এদিকে মিমি চক্রবর্তীর অভিযোগ ছিল, তনয় তাকে মাঝপথে স্টেজ থেকে নামিয়ে দিয়েছিলেন এবং অসভ্য আচরণ করেছিলেন। অন্যদিকে তনয়ের দাবি ছিল— মিমি নির্দিষ্ট সময়ে আসেননি। তিনি যখন স্টেজে ওঠেন, তখন প্রায় রাত ১২টা, যার ফলে পুলিশি নিয়মানুযায়ী অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বাধ্য হন আয়োজক।
এই আইনি নোটিশ এবং মামলা প্রসঙ্গে মিমি চক্রবর্তীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


